গুয়াংডং কাস্টমাইজড হোম অ্যাসোসিয়েশন/গুয়াংডং ওয়ারড্রোব ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য প্রকাশের নিয়মাবলি
প্রথম ধারা এই সমিতির তথ্য প্রকাশের কাজকে মানসম্মত করতে এবং তথ্য প্রকাশের সত্যতা, নির্ভুলতা, সম্পূর্ণতা, সময়োপযোগীতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে, সমিতির স্বাভাবিক পরিচালনা ও সদস্যদের বৈধ অধিকার রক্ষার্থে, প্রাসঙ্গিক আইন ও বিধি অনুসারে এই নিয়মাবলি প্রণীত হলো।
দ্বিতীয় ধারা এই নিয়মাবলিতে 'তথ্য প্রকাশ' বলতে সেই সমস্ত তথ্যকে বোঝায় যা সমিতির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এবং যা সদস্যরা এখনও জানেন না, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সদস্যদের বা জনগণের কাছে প্রকাশ করা।
তৃতীয় ধারা এই সমিতির তথ্য প্রকাশের বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে পর্যায়ক্রমিক প্রতিবেদন ও অস্থায়ী প্রতিবেদন। বার্ষিক প্রতিবেদন হলো পর্যায়ক্রমিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রতিবেদন অস্থায়ী প্রতিবেদন। সমিতি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশ করা প্রয়োজন মনে করে এমন তথ্যও প্রকাশ করতে হবে। অস্থায়ী প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু নিম্নলিখিত দিকগুলো অন্তর্ভুক্ত করে:
(১) সদস্য (প্রতিনিধি) সভা, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত;
(২) সমিতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে এমন তথ্য;
(৩) সমিতির আর্থিক অবস্থা;
(৪) সরকার বা সমাজ থেকে প্রাপ্ত দান ও অনুদানের সম্পদ ব্যবহারের অবস্থা;
(৫) সরকারি কার্যাবলির দায়িত্ব প্রদান, অনুমোদন ও হস্তান্তরের অবস্থা;
চতুর্থ ধারা তথ্য প্রকাশ সমিতির একটি চলমান দায়িত্ব, সমিতিকে বিশ্বস্ত ও সৎভাবে তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা পালন করতে হবে। সমিতিকে সত্য, নির্ভুল, সম্পূর্ণ, সময়োপযোগী ও উন্মুক্তভাবে তথ্য জমা দিতে ও প্রকাশ করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বিবৃতি বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়েনি।তথ্য প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে সমিতির অভ্যন্তরীণ প্রকাশনা, ওয়েবসাইট, মিডিয়া ইত্যাদি।
পঞ্চম ধারা সমিতি যদি দেখে যে প্রকাশিত তথ্যে কোনো ভুল, বাদ পড়া বা বিভ্রান্তি রয়েছে, তাহলে সময়মতো সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি, পরিপূরক বিজ্ঞপ্তি বা ভুল তথ্য খন্ডনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।
ষষ্ঠ ধারা এই সংস্থার পরিচালনা পর্ষদ সচিবালয়কে সংস্থার তথ্য প্রকাশের বিষয়াদি সংগঠিত ও সমন্বয় করার দায়িত্ব অর্পণ করে।
সপ্তম ধারা তথ্য প্রকাশের পূর্বে নিম্নলিখিত প্রক্রিয়াগুলি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে:
(১) তথ্য প্রদানকারী বিভাগের প্রধানগণ প্রাসঙ্গিক তথ্য ও উপকরণ যাচাই করে স্বাক্ষর করবেন;
(২) মহাসচিব নিয়মানুগ যাচাই করে স্বাক্ষর করবেন;
অষ্টম ধারা সমিতি ও সমাজের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে এমন বিষয়সমূহের তথ্য প্রকাশ করতে হলে সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমতি নিতে হবে এবং পূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে অভিন্ন অবস্থান তৈরি করার পরই তা প্রকাশ করা যাবে।
নবম ধারা পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত বা সভাপতির অনুমোদন ব্যতীত কোনো পরিচালক ব্যক্তিগতভাবে সংস্থা বা পরিচালনা পর্ষদের পক্ষে জনসমক্ষে সংস্থার অপ্রকাশিত তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করতে পারবেন না।
দশম ধারা তত্ত্বাবধায়ক কমিটি বা কোনো তত্ত্বাবধায়ক ব্যক্তিগতভাবে সংস্থার পক্ষে সদস্য (প্রতিনিধি) সভা ও গণমাধ্যমে সংস্থার অপ্রকাশিত তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করতে পারবেন না। তত্ত্বাবধায়ক কমিটি বা কোনো তত্ত্বাবধায়ক যদি সদস্য সভা বা সরকারি সংস্থাকে সংস্থার স্বার্থবিরোধী বা আইন, নিয়ম ও সংস্থার সংবিধান লঙ্ঘনকারী কোনো কার্যকলাপের বিষয়ে রিপোর্ট করেন, তবে তাতে যাতে পরিচালনা পর্ষদকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।
একাদশ ধারা সংস্থার বার্ষিক কার্যপ্রতিবেদন ও বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্যদের কাছে প্রকাশ করতে হবে এবং সামাজিক সংগঠন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।
দ্বাদশ ধারা সংস্থা সদস্য (প্রতিনিধি) সভা ও পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠানের পূর্বে সদস্য বা পরিচালকদের সভার সময়, স্থান, পদ্ধতি ও আলোচ্যসূচি সম্পর্কে অবহিত করবে।
ত্রয়োদশ ধারা সংস্থা সদস্য (প্রতিনিধি) সভা ও পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তসমূহ সংস্থার তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে সদস্যদের জানাবে,এবং সামাজিক সংগঠন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবে।
চতুর্দশ ধারা সংস্থা সর্বদা নিজস্ব শিল্প/পেশাগত ক্ষেত্রের তথ্য গতিশীলতার ওপর নজর রাখবে এবং যেসব তথ্য সংস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, তা সদস্যদের জানাবে।
ধারা ১৫এই সংস্থার বহিরাগত তথ্য প্রকাশের নথি (বার্ষিক প্রতিবেদন এবং অস্থায়ী প্রতিবেদন সহ) পৃথক ফাইলে সংরক্ষণ করতে হবে। সদস্য (প্রতিনিধি) সভার নথি, পরিচালনা পর্ষদের নথি, তত্ত্বাবধায়ক বোর্ড বা তত্ত্বাবধায়কের নথি এবং তথ্য প্রকাশের নথি পৃথক শ্রেণীবদ্ধ ফাইলে সংরক্ষণ করতে হবে।
ধারা ১৬এই সংস্থার পরিচালক, তত্ত্বাবধায়ক এবং অন্যান্য কর্মচারী যারা কাজের সম্পর্কের কারণে প্রকাশযোগ্য তথ্যের সংস্পর্শে আসেন, তাদের উপর এই সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ অপ্রকাশিত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে এবং তারা অপ্রকাশিত তথ্য ফাঁস করতে পারবেন না। অন্যথায়, এর ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল প্রভাবের জন্য তারা সম্পূর্ণ দায়ী থাকবেন।
ধারা ১৭যদি এই সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মীদের অবহেলার কারণে এই সমিতির উপর প্রভাব পড়ে, তবে তাদের শাস্তি দেওয়া হবে।
ধারা ১৮এই নিয়মটি পরিচালনা পর্ষদের审议 (পর্যালোচনা ও অনুমোদন) দ্বারা পাস হওয়ার পরে কার্যকর হবে এবং পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা ব্যাখ্যা করা হবে।

